নিজের সম্পর্কে কিছু তথ্য
জীবনে মানুষ কত রকম কত পোস্ট লিখে এবং সেই পোস্টগুলো সবার নজরেও পড়ে, ভালো লাগে।
ভালো কিছুকে লিখতে লিখতে মানুষ নিজের পরিচয় দিতে ভুলে যায় অর্থাৎ নিজেকে নিয়ে
লেখার সময়ই হয় না। তাই আজকের এই পোস্ট আমার নিজের সম্পর্কে। চলুন শুরু করা
আমার নাম: মোঃ শাহরিয়ার ইমতিয়াজ। আমার বাসা রাজশাহী। আমি সিরোইল সরকারি উচ্চ্
বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি। আমি ইতোমধ্যে এস.এস.সি দিয়েছি এবং আমার এস.এস.সি ফলাফল
জি.পি.এ-৫। আমার বর্তমান বয়স ১৬। আমি ইন্টার প্রথম বর্ষ উঠব।
পোস্ট সূচিপত্রঃ নিজের সম্পর্কে, নিজের স্কুল সম্পর্কে এবং নিজের জেলা
সম্পর্কে
- পছন্দের রং
- পছন্দের খাবার
- পছন্দের জায়গা
- পছন্দের কাজ
- আমার স্কুল যেখানে অবস্থিত
- আমার স্কুলের প্রিয় টিচার
- আমার স্কুলের প্রিয় জায়গা
- আমার সব থেকে প্রিয় বন্ধু
- রাজশাহীর কোন কোন জায়গা সব থেকে সুন্দরময়
- রাজশাহীর মানুষজন যেমন
- রাজশাহী কিসের জন্য বিখ্যাত
পছন্দের রং
আমার পছন্দের রং নীল, কালো, সাদা
পছন্দের খাবার
আমার পছন্দের খাবার পিৎজা, বার্গার, চিকেন ফ্রাই, গ্রীল, কাচ্চি, ইত্যাদি। আমার এসব খুবই প্রিয়।
পছন্দের জায়গা
আমার পছন্দের জায়গা হলো মুক্তমঞ্চ যা রাজশাহীর পাঠান পাড়ায় অবস্থিত। সেখানের পরিবেশ এতটাই সুন্দর যা সবাইকে মুগ্ধ করবে তাই রাজশাহী আসলে সবাইকে এই জায়গা পরিদর্শন করার সবাইকে
পছন্দের কাজ
আমার পছন্দের কাজ হলো শীতের সময় র্যাকেট খেলা। র্যাকেট
খেলতে আমার খুবই ভালো লাগে। শীতে যদি আপনি র্যাকেট
না খেলেন অনেক মিস করবেন। কারণ এ শীতই র্যাকেট খেলার আমেজ।
আমার স্কুল যেখানে অবস্থিত
আমার স্কুলের নাম সিরোইল সরকারি উচ্চ্ বিদ্যালয়। এটি রাজশাহী জেলায় অবস্থিত। আর স্থান দোশরমণ্ডল, রাজশাহী।
আমার স্কুলের প্রিয় টিচার
আমার স্কুলের প্রিয় টিচারের নাম সিরাজুম মুনিরা ম্যাম, সাবিনা ম্যাম, ফাতিমা ম্যাম। তাঁরা আমাকে খুবই স্নেহ করেন। বাবা-মার পর যদি কারও স্থান হয় তা হলো শিক্ষকের। কারণ, তাঁরাই হলো আমাদের সাফল্যের কারিগর। তাঁরাই আমাদের মধ্যে সৃজনশীলতা বোধ তৈরি।
আমার স্কুলের প্রিয় জায়গা
আমার স্কুলের প্রিয় জায়গা হলো স্কুলের মাঠ। এই স্কুলের মাঠেই আমরা সকল ছাত্র একত্রিত হই পিটির সময়, ফুটবল খেলা, ক্রিকেট খেলা ইত্যাদির সময়। এই সময় যেন মনে হয় আমরা সবাই আছি একে অপরের পাশে। এই বন্ধন হলো ভ্রাতৃত্বের বন্ধন
আমার সব থেকে প্রিয় বন্ধু
আমার সব থেকে প্রিয় বন্ধু হলো আমার পরিবার। কারণ এখানে কেউ কাউকে ঠকায় না, কেউ কারও সাথে স্বার্থ নিয়ে চলে না, এখানে রয়েছে স্নেহ, মায়া-মমতা যা আপনি অন্য কোথাও পাবেন না। আপনি এ ব্যতীত যার সাথেই বন্ধুত্ব করবেন দেখবেন দিন শেষে কোনো না কোনো সময় আপনার সাথে প্রতারণা করবে, আপনাকে ঠকাবে যদি তার স্বার্থে আঘাত পড়ে। তাই একটাই কথা যে বাইরে যত বন্ধুত্ব কম করবেন, তত ভালো থাকবেন। নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে ভালোবাসুন দেখবেন সব কিছুই ঠিক, নিজের পরিবারকে সময় দিন।
রাজশাহীর কোন কোন জায়গা সব থেকে সুন্দরময়
রাজশাহীতে বিভিন্ন রকম জায়গা আছে যার সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। যেমন: পদ্মা গার্ডেন, টি-বাঁধ, মুক্তমঞ্চ, হাইটেক পার্ক, জিয়া পার্ক, সাফিনা পার্ক ইত্যাদি এরকম আরও জায়গা আছে যেসবের সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। রাজশাহীতে আসলে যদি এসব জায়গা যদি আপনি না দেখেন তো মিস করেছেন। তাই রাজশাহীতে আসলে অবশ্যই এই জায়গাগুলো ঘুরে দেখুন, দেখবেন আপনার শরীর ও মন ভালো লাগবে এবং এর অপার সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবে।
রাজশাহীর মানুষজন যেমন
রাজশাহীর মানুষ-জন অত্যন্ত আতিথি পরায়ণ, মিশুক, নম্র, ভদ্র। তারা যে কাউকে আপন করে নিতে জানে, আর এতটাই আপন করতে জানে যে মনে হবে কত দিনের চেনা -জানা। এখানকার মানুষ অনেক মনুষ অনেক সৌখিন হোক সেই ধনী কিংবা দরিদ্র।
রাজশাহী কিসের জন্য বিখ্যাত
রাজশাহী আম ও শিল্কের জন্য বিখ্যাত। এখানকার আম এতটাই সুস্বাদু যে অন্য জায়গার আমের স্বাদকে হার মানাবে। যদি এখানকার আম আপনি একবার খান এর স্বাদ আপনার মুখে লেগে থাকবে। মন চাইবে এখানে এসে আম খাইতে। আসলে যেটা যেটার জন্য বিখ্যাত।
আর রাজশাহীর সিল্ক অনেক সমৃদ্ধ যা আপনি অন্য কোথাও এরকম পাবেন না। তাই বলা যায় আপনি যদি একবার এই সিল্কের পোশাক কিনেন তাহলে আপনাকে আপনার মন চাইবে আরেকবার কিনি।

ইনফঘর আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। এখানে প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়। নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url